শুক্রবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৬:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
আলীকদমে শীতকম্বল বিতরণ অনুষ্ঠিত। আজ কলকাতায় আসাউদ্দিন ওয়ারিস সভার অনুমতি দিল না পুলিশ জামালপুরে এভার গ্রীন লাইফ জেনারেল হাসপাতাল লিঃ এ কেমো থেরাপি উদ্বোধন শ্রীবরদী এপি’র উদ্যোগে শিশু সুরক্ষায় ফোকাস গ্রুপ আলোচনা অনুষ্ঠিত। একসঙ্গে দুই সিনেমায় আসিফ নূর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতি’র বার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি পদে আনোয়ার হোসেন ডলার ও সাধারণ সম্পাদক পদে হামিদুল হক নির্বাচিত ফুলবাড়ীতে পণ্যে পাটজাত মোড়ক ব্যবহার বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত বাহুবলে মাটি উত্তোলন ও পরিবহনের দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা চুয়াডাঙ্গায় পৃথক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ২ পবা উপজেলা পরিষদে শূন্য চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচন উপলক্ষে আরএমপির দিকনির্দেশনা।

কুষ্টিয়া দৌলতপুরে পিস এন্ড স্মাইল এর উদ্যোগে গরীব ও দুঃখী মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র, চাউল বিতরণ করা হয়েছে

সাইফুল রহমান : / ২৭ শেয়ার
প্রকাশিত : রবিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২১, ৯:৪৮ অপরাহ্ন

কুষ্টিয়া দৌলতপুরে পিস এন্ড স্মাইল এর উদ্যোগে গরীব ও দুঃখী মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র, চাউল বিতরণ করা হয়েছে।

সাইফুল ইসলাম।।আজ বিকাল ৪.০০ টার সময় দৌলতপুর উপজেলায় ফিলিপনগরে অবস্থিত পি.এস.এস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে এ বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে ৬০০ কর্মহীন হয়ে পড়া দুস্থ ও গরিব মানুষের মাঝে এই খাদ্য সামগ্রী, ও কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ সদস্য ৭৫ কুষ্টিয়া ১ আসনের আঃকাঃম সরওয়ার জাহান বাদশাহ, এবং অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা হায়দার আলী, ইসহাক আলী (শিক্ষক),আলোর মিছিলের সভাপতি শাহখ আল জাহান শুভ্র, যুবলীগ নেতা ওয়াসিম কবিরাজ, তৌকির আহমেদ, রিপন,রিংকু করিম,মহিবুল ইসলাম মহন।ছাত্রলীগ নেতা আশিকুজ্জামান জয়। আরও উপস্থিত ছিলেন গন্যমান্য ব্যাক্তিরা।

উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পিস এন্ড স্মাইলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মোঃ শাহ্ নেওয়াজ টিটু

দৌলতপুরের পিস এন্ড স্মাইলের এমন জনহিতকর কল্যাণমূলক কর্ম কান্ডকে এলাকার সাধারণ মানুষ সাদরে গ্রহণ করেছে। উপস্থিত দুস্থ পরিবারগুলো এ ধরনের সহযোগিতা পেয়ে অনেক খুশি বলে জানান।

এ বিষয়ে পিস এন্ড স্মাইলের চেয়ারম্যান শাহ নেওয়াজ টিটু বলেন , করোনাভাইরাসের কারণে কাজ না থাকায় অনেক গরিব মানুষ অসহায় হয়ে পড়েছে। এজন্য দৌলতপুর উপজেলার প্রত্যেক ইউনিয়নে করোনা পরিস্থিতিতে কর্মহীন হয়ে পড়া দুস্থ ও গরিব ৬০০ পরিবার কে পিস এন্ড স্মাইলের অর্থায়নে এ খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয় ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ

পহেলা ফাল্গুন আজ, ঋতুরাজ বসন্তের প্রথম দিন। শীতের রুক্ষতা শেষে পত্রপল্লবে ফিরছে সজীবতা। শীতের ঝরা পাতা বিদায় দিয়ে বইছে ফাগুনের হাওয়া। শীতের রুক্ষতা পেছনে ফেলে বসন্তের উতাল হাওয়ায় নবপ্রাণের ছোঁয়া সবখানে, মহাসমারোহে প্রকৃতি খুলে দিয়েছে সৌন্দর্যের দুয়ার। কৃষ্ণচূড়া আর শিমুলের দেখা এখনো না মিললেও পলাশের ডালে ডালে আলোর নাচন আর পাখিদের কলতান জানান দিচ্ছে- এসে গেছে ঋতুরাজ-বসন্ত। ১৩ ফেব্রুয়ারি পহেলা ফাল্গুন। বসন্তের প্রথম দিন। পরদিন ১৪ ফেব্রুয়ারি ‘বিশ্ব ভালোবাসা দিবস’। এই দিনগুলোতে রঙিন হয়ে ওঠে মন। বাহারি সাজে সেজে ওঠে প্রকৃতি ও মানুষ। তাই দুটি দিবসকে সামনে রেখে কবি লিখেছেন- ‘ফাগুনের আগুন লাগে তোমার হৃদয়ে, বলি হে সখা সেজেছো কেমন নতুনের আগমনে।’ ঋতুরাজ বসন্তে প্রকৃতি কন্যা সাজে নতুন রূপে। গাছে গাছে নতুন পাতার আগমন ঘটে। শিমুল, পলাশ আর কৃষ্ণচূড়ার আবাসে চারিদিক লাল হয়ে যায়। নারীরা বাসন্তি শাড়িতে নিজেকে নতুন রূপে সাজিয়ে তোলে। পুরুষ সাদা পাঞ্জাবি আর শিশুরা রং-বেরঙের পোশাকে সজ্জিত হয়। ‘বারো মাসে তেরো পার্বণ’ বাঙগালি সংস্কৃতির এক অপার নিদর্শন বসন্ত বরণ। বলা হয়ে থাকে ফুল ফুটুক আর না-ই ফুটুক, বসন্ত বরণে বাঙালি সবসময়ই সচেষ্ট। কারণ বসন্তের শুরুতেই আমের বাগানে দেখা যায় নতুন অম্র মুকুলের অমল হাসি। ফাল্গুনের প্রথম প্রহরে রক্তিম লালিমা নিয়ে সূর্য প্রকৃতিকে নবরূপে সজ্জিত করে। নতুন পল্লবে ভরে উঠে প্রকৃতি কানন। চারপাশ কোকিলের কুহুকুহু তানে মুখরিত হয় প্রাণ ছোঁয়ে। নিঃশ্বেষিত শীতের হিমেল পরশ শেষে আসে বসন্ত। সাথে সাথে বছর ঘুরে আসে ভালোবাসার সংস্পর্শ বছর পুঞ্জি। ভালোবাসা শুধুই লোক দেখানো নয়, ভালবাসা আত্মার এক নিবিড় সম্পর্ক। ভালোবাসে না এমন লোক খুব কমই আছে পৃথিবীতে। প্রাণ যেখানে প্রণয় সেখানে, সেইত্ ভালোবাসা। ভালোবাসা মনের সব অন্ধকারকে দূর করে আলোর সন্ধান দেয়। কোনো দিবস লাগেনা ভালোবাসার জন্য। তবুও ভ্যালেন্টাইনের প্রেমকাহিনিকে অবলম্বন করে আমরা ভালোবাসার দিনক্ষণ এর পিছু নিয়েছি। ভালোবাসা শুধু প্রেমিক-প্রেমিকার মাঝে সীমাবদ্ধ থাকা নয়। এটি জগৎজুড়ে এক মায়ার বন্ধন বাবা মা, আত্মীয় স্বজন সবাই ভালোবাসার অংশ। কেউ ভালোবেসে হাসে, কেউ ভালোবেসে হাসায়। ভালোবাসা দিবসে কেউ ছোটে আপনজনের কাছে, কেউ ছুটে যায় ছিন্নমূল শিশুদের কাছে। কেউবা ভালোবাসে কাঁদে, কেউ আশা নিয়ে থাকে বাসায়। ভালোবাসার পবিত্রতা রক্ষা করে পূর্ণ হোক সব আশা। হীনম্মন্যতা দূর করে সত্যিকারের ভালোবাসায় নিমজ্জিত হোক তরুণরা। ভালোবাসায় ভরে উঠুক জীবন। এ বছর ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসার নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপিত হোক। বসন্তের রঙে রাঙিয়ে তুলুন জীবন। ভালোবাসুন মাতৃভাষা, দেশ এবং দেশের মানুষ। ভালোবাসুন দেশীয় পণ্য এবং নিজস্ব সংস্কৃতি। ভালোবাসায় ভরে উঠুক সবার জীবন। শুভ হোক আগামীর পথচলা।

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ