শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
লালমনিরহাটে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় ১জন সাইকেল আরোহী নিহত এএইচসি তারুণ্য নির্ভর অসহায় মানুষের পাশে থাকা মূর্তিমান সংগঠন- প্রতিষ্ঠাতা নূর হাশেম বাঁধন  ২৪ ঘণ্টায় ১৪ জনের করোনা শনাক্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‌্যাবের হাতে হেরোইনসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার আত্রাই প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে ইউএনও-ওসির মতবিনিময় দর্শনা থানা পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে ৩ কেজি গাঁজা সহ আটক ২ নাটোরের বনপাড়া পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি শাকিব মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত আলীকদমে শীতকম্বল বিতরণ অনুষ্ঠিত। আজ কলকাতায় আসাউদ্দিন ওয়ারিস সভার অনুমতি দিল না পুলিশ জামালপুরে এভার গ্রীন লাইফ জেনারেল হাসপাতাল লিঃ এ কেমো থেরাপি উদ্বোধন

সারাদেশে ধর্ষণ ও সহিংসতা বন্ধের দাবীতে ইন্দুরকানী উপজেলা ছাত্রলীগের বিক্ষোভ সমাবেশ।

এম.এইচ.ইমন জেলা প্রতিনিধি, পিরোজপুর। / ২২৯৯ শেয়ার
প্রকাশিত : শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২০, ৭:১০ পূর্বাহ্ন

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ সহ সম্প্রতি সারা দেশে ধর্ষণ ও নারীর প্রতি সহিংসতা বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে ইন্দুরকানী উপজেলা ছাত্রলীগ। এ উপলক্ষে ৮ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় উপজেলা চত্ত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিল টি শুরু করে বিভিন্ন সড়ক প্রদিক্ষণ করে উপজেলা ছাত্রলীগ কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ করে। পরে দলীয় কার্যালয়ের সামনে উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি আতিকুর রহমান ছগীরের সভাপতিত্বে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, সাধারন সম্পাদক শাহিন গাজী, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক ইসরাফিল খান নেওয়াজ, সাবেক সাধারন সম্পাদক সাইফুর রহমান সোহাগ।
এসময় বিক্ষোভ সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি আব্দুল মজিদ, ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি আরিফুর রহমান টুটুল, বন্দর যুবলীগের সভাপতি হাসান মাহমুদ( সুমন), সাধারন সম্পাদক কামরুজ্জামান তুহিন সহ ছাত্রলীগের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, ধর্ষক-ধর্ষকই, তার কোন দল নেই। সে যত বড় ক্ষমতাশালী হোক না কেন তাকে দ্রত আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। পারিবারিক বা সামাজিকভাবে আমরা যদি তাদের বয়কট করতে পারি তাহলে সমাজে নারীর প্রতি সহিংসতা ও ধর্ষণের ঘটনা কমে আসবে। বাংলাদেশ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে সব সময় এসব সামাজিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে সোচ্ছার কন্ঠে প্রতিবাদ করা সহ নির্যাতিতাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যাক্ত করেন তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ

পহেলা ফাল্গুন আজ, ঋতুরাজ বসন্তের প্রথম দিন। শীতের রুক্ষতা শেষে পত্রপল্লবে ফিরছে সজীবতা। শীতের ঝরা পাতা বিদায় দিয়ে বইছে ফাগুনের হাওয়া। শীতের রুক্ষতা পেছনে ফেলে বসন্তের উতাল হাওয়ায় নবপ্রাণের ছোঁয়া সবখানে, মহাসমারোহে প্রকৃতি খুলে দিয়েছে সৌন্দর্যের দুয়ার। কৃষ্ণচূড়া আর শিমুলের দেখা এখনো না মিললেও পলাশের ডালে ডালে আলোর নাচন আর পাখিদের কলতান জানান দিচ্ছে- এসে গেছে ঋতুরাজ-বসন্ত। ১৩ ফেব্রুয়ারি পহেলা ফাল্গুন। বসন্তের প্রথম দিন। পরদিন ১৪ ফেব্রুয়ারি ‘বিশ্ব ভালোবাসা দিবস’। এই দিনগুলোতে রঙিন হয়ে ওঠে মন। বাহারি সাজে সেজে ওঠে প্রকৃতি ও মানুষ। তাই দুটি দিবসকে সামনে রেখে কবি লিখেছেন- ‘ফাগুনের আগুন লাগে তোমার হৃদয়ে, বলি হে সখা সেজেছো কেমন নতুনের আগমনে।’ ঋতুরাজ বসন্তে প্রকৃতি কন্যা সাজে নতুন রূপে। গাছে গাছে নতুন পাতার আগমন ঘটে। শিমুল, পলাশ আর কৃষ্ণচূড়ার আবাসে চারিদিক লাল হয়ে যায়। নারীরা বাসন্তি শাড়িতে নিজেকে নতুন রূপে সাজিয়ে তোলে। পুরুষ সাদা পাঞ্জাবি আর শিশুরা রং-বেরঙের পোশাকে সজ্জিত হয়। ‘বারো মাসে তেরো পার্বণ’ বাঙগালি সংস্কৃতির এক অপার নিদর্শন বসন্ত বরণ। বলা হয়ে থাকে ফুল ফুটুক আর না-ই ফুটুক, বসন্ত বরণে বাঙালি সবসময়ই সচেষ্ট। কারণ বসন্তের শুরুতেই আমের বাগানে দেখা যায় নতুন অম্র মুকুলের অমল হাসি। ফাল্গুনের প্রথম প্রহরে রক্তিম লালিমা নিয়ে সূর্য প্রকৃতিকে নবরূপে সজ্জিত করে। নতুন পল্লবে ভরে উঠে প্রকৃতি কানন। চারপাশ কোকিলের কুহুকুহু তানে মুখরিত হয় প্রাণ ছোঁয়ে। নিঃশ্বেষিত শীতের হিমেল পরশ শেষে আসে বসন্ত। সাথে সাথে বছর ঘুরে আসে ভালোবাসার সংস্পর্শ বছর পুঞ্জি। ভালোবাসা শুধুই লোক দেখানো নয়, ভালবাসা আত্মার এক নিবিড় সম্পর্ক। ভালোবাসে না এমন লোক খুব কমই আছে পৃথিবীতে। প্রাণ যেখানে প্রণয় সেখানে, সেইত্ ভালোবাসা। ভালোবাসা মনের সব অন্ধকারকে দূর করে আলোর সন্ধান দেয়। কোনো দিবস লাগেনা ভালোবাসার জন্য। তবুও ভ্যালেন্টাইনের প্রেমকাহিনিকে অবলম্বন করে আমরা ভালোবাসার দিনক্ষণ এর পিছু নিয়েছি। ভালোবাসা শুধু প্রেমিক-প্রেমিকার মাঝে সীমাবদ্ধ থাকা নয়। এটি জগৎজুড়ে এক মায়ার বন্ধন বাবা মা, আত্মীয় স্বজন সবাই ভালোবাসার অংশ। কেউ ভালোবেসে হাসে, কেউ ভালোবেসে হাসায়। ভালোবাসা দিবসে কেউ ছোটে আপনজনের কাছে, কেউ ছুটে যায় ছিন্নমূল শিশুদের কাছে। কেউবা ভালোবাসে কাঁদে, কেউ আশা নিয়ে থাকে বাসায়। ভালোবাসার পবিত্রতা রক্ষা করে পূর্ণ হোক সব আশা। হীনম্মন্যতা দূর করে সত্যিকারের ভালোবাসায় নিমজ্জিত হোক তরুণরা। ভালোবাসায় ভরে উঠুক জীবন। এ বছর ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসার নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপিত হোক। বসন্তের রঙে রাঙিয়ে তুলুন জীবন। ভালোবাসুন মাতৃভাষা, দেশ এবং দেশের মানুষ। ভালোবাসুন দেশীয় পণ্য এবং নিজস্ব সংস্কৃতি। ভালোবাসায় ভরে উঠুক সবার জীবন। শুভ হোক আগামীর পথচলা।

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ